শনিবার ৬ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ই-পেপার   শনিবার ৬ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

নওগাঁয় দুর্দিন এখন মৃৎশিল্পীদের
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৫:১২ অপরাহ্ণ |
অনলাইন সংস্করণ

নওগাঁয় দুর্দিন এখন মৃৎশিল্পীদের
মোঃ ফিরোজ হোসাইন নওগাঁ প্রতিনিধিঃ আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ভালো নেই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মৃৎশিল্পীরা। উপজেলার ছোট যমুনা নদীর ও আত্রাই নদীর তীরবর্তী দাঁড়িয়ে থাকা ভবানীপুর ও নন্দনালী পালপাড়া যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটি স্বর্ণালী ছবি। উপজেলার ভবানীপুর, রাইপুর, মিরাপুর, সাহেবগঞ্জ, বেওলা, পাঁচুপুর নন্দনালী সহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য কুটির নয়নাভিরাম মৃৎ শিল্পীদের বাসস্থান। যা সহজেই সবার মনকে পুলকিত করে। আর এ মৃৎশিল্প’র ঐতিহ্য আঁকড়ে থাকা পাল বংশের লোকদের টিকে থাকা যেন কঠিন হয়ে পড়েছে। এক সময় এ গ্রামগুলিতে মৃৎশিল্প’র জৌলুস ছিল। এ শিল্পে জড়িয়ে ছিল এখানের শতাধিক পরিবার। হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার কষ্টে-শিষ্টে তাদের পূর্ব-পুরুষদের এ পেশা ধরে রেখেছেন। কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারনে সম্পুর্নরুপে বন্ধ হয়ে গেছে এ মাটির কাজ। তাই এই কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনকেই হতাশা হয়ে পড়েছে। এক সময় উপজেলার এসব গ্রামসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার পরিবারও প্রত্যক্ষভাবে এ শিল্পের সাথে জড়িত ছিল। হাড়ি, পাতিল, কলসি, ব্যাংক, পিঠা তরির ছাঁচ, পুতুলসহ ছোট-ছোট খেলনা ইত্যাদি সব জিনিসপত্র তৈরি করতে। এখানকার তৈরি মৃৎশিল্পর অনেক সুনাম ও সুখ্যাতি থাকলেও এখন শুধুমাত্র দধির পাত্র ও পিঠার খালা তৈরি করে কোন রকমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। এ অঞ্চল থালা পাত্রের কদর বেশী রয়েছে। একটি থালা তৈরিতে মাটি ও পোড়ানো বাবদ প্রায় ৫ টাকা খরচ হলেও তা বাজারে বিক্রি হয় ১০ টাকা। এর মধ্যই রয়েছে শ্রম ও মাল বহনের খরচ। ফলে লাভের মুখ তারা দেখে না। অথচ ঐ একটি থালা এক হাতে ঘুরে বাজারে খুচরা ক্রেতা কিনছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। ফলে সহজেই অনুমেয় মূল মুনাফা চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্ব ভোগীদের হাতে। ন্যায্য দাম না পাওয়ায় মৃৎশিল্পীরা এ পেশার প্রতি হতাশ পূর্ব-পুরুষদের এ পেশা ধরে রেখেছেন। কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারনে সম্পুর্নরুপে বন্ধ হয়ে গেছে এ মাটির কাজ। তাই এই কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনকেই হতাশা হয়ে পড়েছে। এক সময় উপজেলার এসব গ্রামসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার পরিবারও প্রত্যক্ষভাবে এ শিল্পের সাথে জড়িত ছিল। হাড়ি, পাতিল, কলসি, ব্যাংক, পিঠা তরির ছাঁচ, পুতুলসহ ছোট-ছোট খেলনা ইত্যাদি সব জিনিসপত্র তৈরি করতে। এখানকার তৈরি মৃৎশিল্পর অনেক সুনাম ও সুখ্যাতি থাকলেও এখন শুধুমাত্র দধির পাত্র ও পিঠার খালা তৈরি করে কোন রকমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। এ অঞ্চল খালা পাত্রের কদর বেশী রয়েছে। একটি খালা তৈরিতে মাটি ও পোড়ানো বাবদ প্রায় ৫ টাকা খরচ হলেও তা বাজারে বিক্রি হয় ১০ টাকা। এর মধ্যই রয়েছে শ্রম ও মাল বহনের খরচ। ফলে লাভের মুখ তারা দেখে না। অথচ ঐ একটি খালা এক হাতে ঘুরে বাজারে খুচরা ক্রেতা কিনছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। ফলে সহজেই অনুমেয় মূল মুনাফা চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্ব ভোগীদের হাতে। ন্যায্য দাম না পাওয়ায় মৃৎশিল্পীরা এ পেশার প্রতি হতাশ। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বর্তমান প্রজন্ম এ ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে। মৃৎশিল্পের নিপুণ কারিগররা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে এখন অনেকটা অসহায় ও মানবেতর জীবন যাপন করছে। অনেক পুরুষ এ পেশা ছেড়ে বিভিন্ন পেশায় চলে গেছেন। মাটির তৈরি জিনিসপত্র আগের মত দামে বিক্রি করতে পারছে না। মাটির এ সকল পাত্রের চাহিদাও আগের মত নেই। নন্দমালী গ্রামের মৃৎশিল্পের কারিগর বাবু কুমার পাল বলেন, ‘লাভ লসের হিসাব করি না। বাপ-দাদার কাজ ছাড়ি কি করে। করোনার আমাদের সকল কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা এখন অসহায় জীবন যাপন করছি। তিনি আরো বলেন, ‘পূর্বপুরুষের পেশা বাঁচিয়ে রাখতে গিয়ে করোনায় দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির বাজার পরিবার পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটছে আমাদের। এ ব্যাপারে উপজেলার ভবানীপুর পালপাড়া গ্রামের মৃৎশিল্পী শ্রী ধিরেদ্রনাথ পাল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নদী-খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় এখন মাটি সংগ্রহ করতে অনেক খরচ হয় । এ ছাড়াও জ্বালানির মূল্য বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ও বিক্রির সঙ্গে মিল না থাকায় প্রতিনিয়ত লোকসান গুনতে হয় । তার মধ্যে আবার করোনার প্রভাব পড়েছে এখন কাজ কর্ম সব বন্ধ আমরা এখন অসহায় হয়ে পড়ছি। এক কালের ঐতিহ্যেরু মাটির তরি বাসন, হাড়ি, পাতিল, কলুসি, ব্যাংক, পিঠা তরির ছাঁচ, পুতুল এখন প্যাস্টিকের দখলে। ফলে উপজেলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পের জৌলুস আর নেই। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এ শিল্প হারিয়ে যেতে বসেছে। ঐতিহ্যের কারণেই মৃৎশিল্পকে টিকিয়ে রাখা দরকার বলে মনে করেন উপজেলার সচেতন মহল।




সর্বশেষ সংবাদ

পুরোন সংবাদ খুজুন
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  

সর্বাধিক পঠিত

প্রকাশক: সৈয়দ এমরান আলী রিপন

সম্পাদক: রোমান চৌধুরী

মোবাইলঃ ০১৭১১৯৫৭২৬৩ / 09639298200

অফিস : সৈয়দ মহল, জানুকি সিং রোড,কাউনিয়া,বরিশাল

ই-মেইলঃ barisalpress247@gmail.com

Design & Developed by
  প্রেমের টানে তরুণী ধর্ষণ: ধর্ষক আটক   গাঁজাসহ কারবারী আটক   বরিশালে নতুন সম্ভাবনাময় ফুটবল ক্লাব “কীর্তনখোলা এফসি বরিশাল”   চরফ্যাশনে ইউপি নির্বাচনের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত   জীবিত হরিণসহ চোরা শিকারী আটক   সুশান্তের মৃত্যু সংক্রান্ত মাদক মামলার চার্জশিটে রিয়াসহ আসামি ৩৩ জন   ভোলায় ১০ জেলেকে জরিমানা ও বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল জব্দ   ঝালকাঠিতে স্ট্রোকে মারা যাচ্ছে গরু   শরণখোলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন   আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছেন ২৭ চেয়ারম্যান প্রার্থী   রাজশাহীতে মায়ের মামলায় ছেলে আটক   ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী বিভাগের করোনা পরিস্থিতি   করোনা টিকা নেওয়ার পর যেসকল খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন   ফেসবুকের জন্মদিনে উপলক্ষে বিকাশে সবাইকে ৩০০০ টাকা দেয়ার তথ্য কতটা সত্য?   নওগাঁয় এখন ব্যস্ত সময় কৃষক ইরি-বোরো ধান পরিচর্যায়   দাবানলে দগ্ধ বোচাগঞ্জেরর ৭টি দুস্থ পরিবার   বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেসে ফের হামলা চেষ্টা   সবুজ কৃষি বরিশালের পক্ষ থেকে বৃক্ষ প্রেমীদের মাঝে ফুল ও ফলের চারা বিতরণ   নিউজিল্যান্ডে এবার ৮.১ মাত্রার ভূমিকম্প   এবার নিলামে উঠছে ম্যাক্সওয়েলের ছক্কায় ভাঙা চেয়ারটি
error: কপি করা থেকে বিরত থাকুন !!