শনিবার ২৫শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১১ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
ই-পেপার   শনিবার ২৫শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

পথের ধারে জল-কাদায় মাছ ধরার উৎসব
প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ১:২৬ অপরাহ্ণ |
অনলাইন সংস্করণ

পথের ধারে জল-কাদায় মাছ ধরার উৎসব

মতলব উত্তর ব্যুরো:- এক সময় গ্রাম বাংলায় বর্ষা শেষে নিচু জমি খাল-বিলে পানি সেচে মাছ ধরা হতো। মাছ ধরার চিরায়ত সে দৃশ্য সচরাচর এখন আর চোখে পড়ে না। দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এসব উৎসব। ভাদ্র মাসের তীব্র গরম আর রোদের তেজে নদ-নদীর পানি কমে যাবার সাথে সাথে শুকিয়ে যেতে থাকে ডুবে থাকা ক্ষেতখলা। পানি শুকিয়ে গেলেও এসব স্থানে আটকা পড়ে নানা দেশীয় মাছ। আর সে সময় কাদা পানিতে নেমে হাত দিয়ে মাছ শিকার করত গ্রামের মানুষ।
মতলব উত্তর উপজেলায় নদী, খাল বিল ও ছোট ছোট খাদ কালের বিবর্তনে এসবের আয়তন অনেকটাই ছোট হয়ে আসছে। তারপরও বর্ষা মৌসুমে পানিতে টইটম্বুর হয়ে উঠে এ সব নদী, খাল-বিল। পানি বৃদ্ধি পায় পুকুর-ডোবা আর খাল-বিলের। ডুবে যায় ধানী জমি আর নিচু জমি। পানির সাথে সেই জমিতে দেশি জাতের নানা মাছের আগমন ঘটে।
একসময় খাল-বিল, পুকুর-ডোবা আর ক্ষেত-খলা শুকিয়ে এলে থালা-বাটি দিয়ে চলে সামান্য পানি সেচার কাজ। আর পুকুর-ডোবার পানি সেচা হয় পাম্প মেশিন দিয়ে। এরপর চলে মাছ ধরার উৎসব। রীতিমতো আনন্দ উল্লাস করে লোকজন পুকুর-ডোবা, খাল-বিলের শূন্য পানির কাদার ভেতরে হাত ঢুকিয়ে তুলে আনে একের পর এক মাছ। সেচ দেয়া পুকুরে চাষ করা মাছের পাশাপাশি পাওয়া যায় দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছ। আর ডোবায় মেলে শোল, টাকি, পুঁটি, খলসে, কৈ, মাগুর, শিং, ট্যাংরাসহ দেশি প্রজাতির বিভিন্ন মাছ।
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর বর্ষাকাল শেষ হলে পানি কমে গেলে এই এলাকার নিচু জমিগুলোতে এমন মাছ ধরার উৎসব চলে। সেই উৎসবে মাছ ধরায় মেতে উঠে নারী-পুরুষ, ছেলে-বুড়ো সবাই। কাদা পানিতে নেমে কে কতো বেশি মাছ ধরতে পারে, এই নিয়ে চলে অলিখিত প্রতিযোগিতা।
তারা জানান, আগে এমন করে নানা জাতের দেশীয় মাছ প্রচুর ধরা গেলেও এখন আর সেদিন নেই। নেই মাছের সে প্রাচুর্য। প্রতিনিয়ত মাছের অভয়ারণ্য কমে যাওয়ায় আগের মতো জমে ওঠে না মাছ ধরার উৎসব। দেশীয় মাছের উৎসগুলো ক্রমেই যেন হারিয়ে যাচ্ছে।
আক্ষেপ করে নাউরী গ্রামের ফয়েজ আহমেদ দর্জী বললেন, খাল-বিল থেকে দিন শেষে মাছ নিয়ে বাড়ি ফেরার দৃশ্য এখন তেমন চোখে পড়ে না। আবার পাঁচ মিশালী মাছের রান্নার ঘ্রাণও এ মৌসুমে এখন আর আগের মতো ছড়িয়ে পড়ে না গ্রামের বাড়ি বাড়ি।
খাদ শুকানোর সময় গ্রামের মেয়েরা শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়ি আসত, কত না মজাই হতো- আজ হারিয়ে যাচ্ছে এসব উৎসব।
পরিবেশ ও মানবাধিকার কর্মী জাকির হোসেন বলেন, দিনদিন সরকারি খালগুলো বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। যার কারণে আমাদের দেশি মাছগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের উচিত খালগুলো রক্ষা করা।




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

পুরোন সংবাদ খুজুন
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

সর্বাধিক পঠিত

প্রকাশক: সৈয়দ রিপন

সম্পাদক: রোমান চৌধুরী

মোবাইলঃ ০১৭১১৯৫৭২৬৩ / 09639298200

অফিস : জানুকি সিং রোড,কাউনিয়া,বরিশাল

ই-মেইলঃ barisalpress247@gmail.com

Design & Developed by
  পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা : আইজিপি   সব দলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে হবে সংসদ নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রী   ২৪ – ২৬ জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর সংযুক্ত মহাসড়কে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে   ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে সহায়তা দেওয়া হবে   বন্যাকবলিত এলাকা ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী   বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন   বিশ্ব বাবা দিবস আজ   মির্জাগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক কারবারী আটক   সারাদেশে এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত বন্যার কারণে   করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, বুস্টার ডোজ নিন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী   ২৫জুন সারা বাংলাদেশ থাকবে উৎসবমুখর : প্রধানমন্ত্রী   দেশের প্রথম পাতাল রেলের কাজ শুরু সেপ্টেম্বরে   জনশুমারি ও গৃহগণনা থেকে কেউ যেন বাদ না পড়ে   করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নতুন করে বাড়তে থাকায় বিধিনিষেধ চালুর সুপারিশ   ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী   খানসামায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পরিবারে বাড়ি প্রদান ও ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ    হাওরে আর সড়ক নয়, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের নির্দেশনা   খাদ্য উৎপাদন-মজুত-বিপণনে অনিয়মে হবে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল   ঈদের আগে-পরে ৬ দিন ফেরিতে ট্রাক পারাপার বন্ধ   সোমবার থেকে লঞ্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে
error: কপি করা থেকে বিরত থাকুন !!