মঙ্গলবার ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ই-পেপার   মঙ্গলবার ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

যমুনায় পানি বাড়ছে, ডুবছে ফসলভরা জমি
প্রকাশ: ৩ অক্টোবর, ২০২০, ১:২৩ অপরাহ্ণ |
অনলাইন সংস্করণ

যমুনায় পানি বাড়ছে, ডুবছে ফসলভরা জমি
অনলাইন ডেস্কঃ উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণের কারণে অব্যাহতভাবে বাড়ছে যমুনা নদীর পানি। একইসঙ্গে ফুলজোড়, ইছামতি, হুরাসাগর ও করতোয়াসহ জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বেড়েই চলেছে। পানি বাড়ার কারণে আবারো তলিয়ে যেতে শুরু করেছে নিম্নাঞ্চল। ডুবে যাচ্ছে ফসলভরা জমি। এতে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে কৃষকদের মধ্যে। কৃষকরা জানান বছরের এমন মৌসুমে বন্যায় ফসলের ক্ষতি হলে পানি নেমে যাওয়ার পর নতুন করে জমি চাষ করলে ফসল নাবি হয়ে যাবে। একারণে আগামী রবি শস্যের আবাদ তাঁরা করতে পারবেন না। তাঁরা জানান, বছরের একটি মৌসুমের ফসল ক্ষতি হলে তাঁদের মতো ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের দুর্দশার শেষ থাকবে না। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এ কে এম রফিকুল ইসলাম বলেন, আজ শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ডপয়েন্টে পানি রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৪৭ মিটার। এখানে ২৪ ঘণ্টায় ৬ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে, কাজিপুর পয়েন্টে রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৪৬ মিটার পানি। ২৪ ঘণ্টায় ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ পাউবো সূত্র জানায়, চলতি বছরের জুনের প্রথম থেকেই যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ ও কাজিপুর পয়েন্টে বাড়তে শুরু করে। গত ২৮ জুন উভয় পয়েন্টেই বিপৎসীমা অতিক্রম করে। এরপর ৪ জুলাই থেকে আবার কমতে শুরু করে এবং ৬ জুলাই বিপৎসীমার নিচে নেমে যায় যমুনার পানি। ৯ জুলাইয়ের পর ফের বাড়তে থাকে এবং ১৩ জুলাই দ্বিতীয় দফায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে। টানা ২৫ দিন দীর্ঘস্থায়ী বন্যা হওয়ার পর ৭ আগস্ট যমুনার পানি উভয় পয়েন্টেই বিপৎসীমার নিচে নেমে যায়। এর মধ্যে কয়েক দফায় যমুনার পানি কমতে ও বাড়তে থাকলেও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কাজিপুর পয়েন্টে আবার বিপৎসীমা অতিক্রম করে যমুনার পানি। এরপর থেকে যমুনার পানি দুটি পয়েন্টেই হ্রাস-বৃদ্ধি হতে থাকে। ১ অক্টোবর কাজিপুর এবং ২ অক্টোবর সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে আবার যমুনার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করল। এদিকে, যমুনায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তলিয়ে যাচ্ছে ফসল। এর আগে বন্যায় জেলায় প্রায় সোয়া ২০০ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি হয়। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবারো এরইমধ্যে জেলার কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তিন হাজার ৪০৬ হেক্টর জমির রোপা আমন, ৯৩১ হেক্টর জমির মাসকলাই, ২৩৪ হেক্টর শীতকালীন সবজি, ৮০ হেক্টর বাদাম ও ৬৮ হেক্টর জমির মরিচ পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

প্রকাশক: সৈয়দ এমরান আলী রিপন

সম্পাদক: রোমান চৌধুরী

মোবাইলঃ ০১৭১১৯৫৭২৬৩ / 09639298200

অফিস : সৈয়দ মহল, জানুকি সিং রোড,কাউনিয়া,বরিশাল

ই-মেইলঃ barisalpress247@gmail.com

Design & Developed by
  একেবারে আলু শূন্য হয়ে পড়েছে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার হাট-বাজারগুলো   চরমোনাইতে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক, অবৈধ গর্ভপাত, অতঃপর!!   গৌরনদী থেকে শ্বশুর বাড়ি বেড়াতে গিয়ে লাশ হলো যুবক।   দিনাজপুর-বোচাগঞ্জ সড়কে জালানী ভর্তি লরি উল্টে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন   রাজশাহীতে ২ ও বিভাগে ২৬ জনের করোনা শনাক্ত   রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে আটক ৪৬   রাজশাহীতে অজ্ঞাত রিক্সা চালকের মৃত্যু   তাহেরপুরে মন্দির পরিদর্শনে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি   দেহরক্ষীসহ র‌্যাব হেফাজতে হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান |   দিনাজপুর-বোচাগঞ্জ সড়কে জালানী ভর্তি লরি উল্টে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন   পাবনা ভাংগুড়ায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গোৎসব   নাটোরের বড়াইগ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে খামারীর মৃত্যু   নাটোরের বড়াইগ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে খামারীর মৃত্যু   নওগাঁর আত্রাইয়ে প্রতিহিংসার বিষে মরলো ১৫ লক্ষ টাকার মাছ   তালতলীতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু   নওগাঁর রাণীনগরে একটি তালগাছে গাছের তিনটি মাথা   মির্জাগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু   বলেশ্বর নদী থেকে ৩১ হাজার মিটার জাল আটকের পর পুড়িয়ে দিয়েছে নৌবাহিনী   অযন্তে ও অবহলোয় ঐতিহ্যের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাগেরহাটের সদর উপজেলায় অবস্থিত কোদলা মঠ বা অযোদ্ধা মঠ   নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে জনগণই রক্ষা করে |