বুধবার ২৫শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
ই-পেপার   বুধবার ২৫শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

পর্যটন কেন্দ্র বেকায়দায়! কুয়াকাটা বেড়ীবাঁধ (পাউবো) সড়কের সংস্করণ হবে কত যুগ পরে
প্রকাশ: ৭ মার্চ, ২০২২, ১:০৬ অপরাহ্ণ |
অনলাইন সংস্করণ

পর্যটন কেন্দ্র বেকায়দায়! কুয়াকাটা বেড়ীবাঁধ (পাউবো) সড়কের সংস্করণ হবে কত যুগ পরে
আব্দুল কাইয়ুম কুয়াকাটা প্রতিনিধি (পটুয়াখালী) :- কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্টের দু’পাশে বেড়ীবাঁধ লাগোয়া দীর্ঘ ৫ কিলোমিটারের মধ্যে নেই দৃশ্যমান কোনো বনাঞ্চল। আব্দুল কাইয়ুম, কুয়াকাটা প্রতিনিধি (পটুয়াখালী): দীর্ঘ যুগ অতিক্রম হলেও সংস্করণ হয়নি কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণটুকু বেড়ীবাঁধ সড়কের! কুয়াকাটা পৌরসভা গঠনের একযুগ পেড়িয়ে গেলেও চৌরাস্তা জিরো পয়েন্টের দু’দিকে (পাউবো) বেড়ীবাঁধ সড়কের সংস্করণের কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্টদের! পর্যটকরা এবং স্থানীয়রা বিপত্তির চরমে দীর্ঘযুগে! অনিয়ম এবং অবহেলার ফলপ্রসূতেই পর্যটন নগরীর এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দৃশ্য বিরাজমান রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেন পর্যটক সহ স্থানীয়রা। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টের বেড়িবাঁধ প্রায় সমুদ্র গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। বর্ষাকালে কুয়াকাটা আগত পর্যটকদের সৈকতে নামতে ভোগান্তি পোহাতে হয় জিরো পয়েন্ট এলাকায়। জিরো পয়েন্ট হতে সৈকতের পূর্বে ট্যুরিজম পার্কের দুই পাশে সৈকতে প্রবেশের দুটি রাস্তা থাকলেও এ ঋতুতে সৈকতে পর্যটকরা অবলোকন করতে পারবে না তীরের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এবং চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যাবে সম্প্রতি ঋতুর ঘনঘটায়। যদিও রাস্তা দু’টি প্রবেশ উপযোগী হয়ও তবে বেড়ীবাঁধ সড়কের বেহাল খানাখন্দে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী রয়েছে, যেখানে ভোগান্তিতে দীর্ঘ দুই যুগ; অতিক্রম হলেও সড়কের মধ্যে বিশেষ একসাথে দুটি যানচলাচল করতে দ্রুততম সময়ে অন্যতম বিশেষ প্রয়োজন হয়ে দাড়িয়েছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের মান বজায়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে কুয়াকাটা ভ্রমণে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া পর্যটকদের কুয়াকাটা ভ্রমণের উৎসাহী করনে যথাযথ ব্যবস্থা গৃহীত হলে বৃদ্ধি পাবে দেশের পর্যটন খাতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির। সৈকতের পূর্বে জাতীয় উদ্যান এলাকা সমুদ্রের ঢেউয়ের কবল থেকে এই বছর বালুক্ষয়ের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার তেমন কোনো আশঙ্কা নেই। আগামী বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই যদি জ্যিও ব্যাগ স্থাপনের মাধ্যমে সৈকতের বালুক্ষয় রোধ করা সম্ভব না হয় তাহলে সাগরের তলদেশে গিলে খাবে বনাঞ্চল এবং ভূমির অবশিষ্টাংশ। কুয়াকাটার লেম্বুরচড় (আন্ধারমানিক মোহনা) হতে সংরক্ষিত কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যানের লাগোয়া ফটক পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটারের মধ্যে নেই দৃশ্যমান কোনো সংরক্ষিত বনাঞ্চল। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টের পূর্ব-পশ্চিমে দুই কিলোমিটার বেড়ীবাঁধ সড়কে পর্যটক ও স্থানীয়রা যাতায়াতের ভোগান্তিতে রয়েছে – দীর্ঘ যুগ অতিক্রম হলেও সংস্করণ হয়নি সামান্য সড়কের পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণটুকুর! এমন বিষয়টিতে যে কেউ আশ্চর্য হবেন। অবশ্যই সাধারণ মানুষের কৌতুহল জাগতে পারে যে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল তাহলে এসবের উন্নয়ন এবং সংরক্ষণের জন্য কি কোনো অর্থ বরাদ্দ পাননি এবং সঠিকভাবে তদারকি করেননি?? বর্তমানে বিদ্যমান সৈকতের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এবং বেড়িবাঁধের পূর্বে ও পশ্চিমে সড়কের যে উঁচুনিচু খাদের চিত্র রয়েছে তা থেকে কি এটা ধারণা করা যেতে পারে না? একটি উন্নয়নশীল দেশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রের এমন বেহাল অবস্থা কখনো কি হওয়ার কথা ছিল? সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের থেকে এমন গাফলতির আশা করা দুষ্কর যেন?? সূত্রমতে, কুয়াকাটা বেড়িবাঁধ সড়কের এলজিইডি ভবনের পূর্বে দের কিলোমিটার মাটির রাস্তাজুড়ে কুয়াকাটা পৌরসভা গঠনের দীর্ঘ একযুগ পরেও অনুন্নয়ণ – সংস্করনহীন; এবং অবহেলিত থাকায় দেশী এবং বিদেশি পর্যটকরা কুয়াকাটা ভ্রমনের মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। পর্যটক আরিফুল ইসলাম এবিষয়ে বলেন, আমরা পর্যটকরা কি শুধু কুয়াকাটা সৈকত উপভোগ করতে আসি? আমাদেরতো চলাচলের জন্য উপযোগী পরিবেশে সাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমনে সুন্দর একটি সড়কেরও বিশেষ দরকার যেটি না থাকায় দীর্ঘ যুগের ভোগান্তি আমাদের। আক্ষেপ প্রকাশ করে এই পর্যটক বলেন, কয়েকবার কুয়াকাটা ভ্রমণে আসা হয়েছে, তবে যতবারই আসা হয়েছে ততোবারই পর্যটন কেন্দ্রের প্রতি নেতিবাচক ধারনার সৃষ্টি হয়েছে। কুয়াকাটা পর্যটন শিল্পের বিকাশে মান বজায়ে অনুন্নয়নের ফলপ্রসূ তলানিতে নামলে স্থানীয় অর্থনীতির বিশেষ একটি প্রভাব ফেলবে। এটি অচিরেই স্থানীয় বৃহৎ শ্রেনীর জনভোগান্তিতে রূপ নিবে। যা ইতিমধ্যেই স্থানীয়ভাবে প্রকটভাবে দেখা গেছে নানা সময়ে দুর্যোগ এবং মহামারীতে। পর্যটক স্পটের প্রাণকেন্দ্রে অগোছালো পরিবেশ পর্যটকের বিপত্তি সৃষ্টি হলে পরিবর্তীতে কুয়াকাটা ভ্রমনের আগ্রহ হারাবেই। তাই অতিসত্বর কুয়াকাটাকে ঢেলে সাজাতে হবে। দেশের পর্যটন শিল্পের এবং স্থানীয় অর্থনীতির বিশেষ চাহিদা পূরনের যোগান দিতে সরকারের মানবিক দৃষ্টিকোণ নিপতিত করতে বিনয়ের সঙ্গে আবেদন করেন তিনি। আগত পর্যটক ও দর্শনার্থীরা অনেকেই মনে করেন যে, কুয়াকাটা পৌরসভাধীন পর্যটন কেন্দ্রটি এভাবে অবহেলায় পরে থাকলে দেশের পর্যটন শিল্পের খাতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অতীতের তুলনায় যা ইতোমধ্যে সঙ্কটাপন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে স্থানীয় অর্থনীতিতে। কুয়াকাটা আগত আরেক পর্যটক ফিরোজ হাওলাদার (৪৩) কুয়াকাটা প্রকৃতি বৈচিত্র হাড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে মনে করছেন যেটা প্রাই অসম্ভব হওয়ার মতো। কারন হিসেবে এ পর্যটক দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, আমি ১০ বছর পূর্বে সমুদ্র সৈকত যেভাবে দেখেছি ঠিক বর্তমান সৈকতেরও একই চিত্র দেখা গেল। কিন্তু বনাঞ্চলের চিহ্নটুকু পর্যন্ত নেই, গত দশবছরে সমুদ্র গর্ভে বিলীন হয়েছে দৈর্ঘ্য ১৮কিলোমিটারের প্রস্থে দের কিলোমিটারজুরে এবং বর্তমান জিরো পয়েন্ট থেকে সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ স্পষ্টের দু’দিকের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে নেই সংরক্ষিত কোনো প্রকৃতির ছিটেফোঁটা। বিষয়টিকে আমি রীতিমতো আশ্চর্যজনকভাবে মনে হয়। যেখানে সমুদ্রের জো-য়ের প্রভাবে বালুক্ষয় হয়, সৈকতের তীর বাঁচাতে অবশ্যই এটিকে রোধে যথাসময়ে পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভবপর হতো সংশ্লিষ্ট মহলের। আমি মনে করি অতীতের কুয়াকাটা সৈকতের যে দৃশ্য বর্তমান উপস্থিত না থাকাটা স্থানীয় মহলের অভ্যন্তরীন কারণ হিসেবেও ধারণা করা যেতে পারে; যদিওবা এটি নিশ্চিত নয় বলে মন্তব্য প্রকাশ করে কুয়াকাটা আগাত ঐ পর্যটক।
বছরে বিভিন্ন সময়ে আগাত পর্যটকদের থেকে কুয়াকাটা ভ্রমণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তারা বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন, তারা মনে করেন যে বেড়ীবাঁধ কাজের মানোন্নয়নে সঠিক তদারকি, এবং স্থানীয় মহলের আমূল পরিবর্তন না আনতে পারলে এক সময় কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমনের জন্য দর্শনার্থী ছাড়া আর দেশের বিভিন্ন জেলা এবং রাজধানী কেন্দ্রিক পর্যটকরা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ভ্রমনের আগ্রহ হারাবে। এতে দেশের বড় একটি অর্থনৈতিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং কয়েক হাজার পরিবারের মানুষের কর্মহারা দিন গুনতে হবে। যদিওবা যেখানে বর্তমান দেশের জনসংখ্যার ৫.৩০ হারে বেকারত্ব অবস্থায় রয়েছে। তাই তারা মনে করেন দ্রুত দেশের এই পর্যটন শিল্পটি সৈকতের তীরে বিদ্যমান যে দৃশ্যটুকু রয়েছে তা সমুদ্রের গ্রাস থেকে শেষ রক্ষা পেতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া উচিত সরকারের সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের। এমনটাই দাবি করেন পর্যটক, দর্শনার্থী এবং স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই। স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ হাসান (৩৬) জানিয়েছেন, সৈকত রক্ষায় গতবছর যে সময়ে জ্যিও ব্যাগ স্থাপনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল যেটি পরীক্ষামূলক; বর্তমান সৈকতের বাকি অংশটুকো টিকে রয়েছে যে কারনে। তবে বসন্ত ঋতুর চলমান মাসে এ (জ্যিও ব্যাগ স্থাপন) কাজের পদক্ষেপ নেওয়ার উপযুক্ত সময় বলে তিনি জানান। স্থানীয় এই বাসিন্দা আরো বলেন, বিশেষ করে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের (কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান) শেষাংশটি রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট মহল এখনই যদি পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে দক্ষিনাঞ্চলের জলবায়ুর প্রভাব ফেলবে কাজের নির্ধারিত সময়ের সমাপ্তির পূর্বেই। সৈকতের তীর রক্ষায় জ্যিও ব্যাগ স্থাপনে তরিঘরি করে এমন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিলে কোনো সুনির্দিষ্ট ফল আশা করা যাবেনা! বর্ষা মৌসুমের মধ্যে গত বছরের ন্যায় কাজের শেষ করা সম্ভব হয়ে উঠবে না। যা মারাত্মক হুমকির মুখে পতিত হবে কুয়াকাটা উপকূলবাসীদের। এবং পর্যটকরা অবলোকন করতে পারবে না মনোমুগ্ধকর প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য। সরকার দ্রুতই যথাসময়ের মধ্যে যদি সৈকত রক্ষার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ না নেয় তবে এই বিষয়টির দায় এড়িয়ে যেতে পারবে না সংশ্লিষ্টরা। এটি হবে সমাজপতি এবং দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীনতা! এবং ব্যার্থতার বহিঃপ্রকাশ। আমাদের জন্য এটি একটি কালো অধ্যায় হবে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করে নানামুখী সমস্যা ও সম্ভাবনার দিক তুলে ধরেন তিনি। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা এলাকার স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ, দর্শনার্থী এবং পর্যটকরা এমনটাই দাবি করেন। তারা সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন।




সর্বশেষ সংবাদ

পুরোন সংবাদ খুজুন
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

সর্বাধিক পঠিত

প্রকাশক: সৈয়দ রিপন

সম্পাদক: রোমান চৌধুরী

মোবাইলঃ ০১৭১১৯৫৭২৬৩ / 09639298200

অফিস : জানুকি সিং রোড,কাউনিয়া,বরিশাল

ই-মেইলঃ barisalpress247@gmail.com

Design & Developed by
  ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী   খানসামায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পরিবারে বাড়ি প্রদান ও ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ    হাওরে আর সড়ক নয়, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের নির্দেশনা   খাদ্য উৎপাদন-মজুত-বিপণনে অনিয়মে হবে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল   ঈদের আগে-পরে ৬ দিন ফেরিতে ট্রাক পারাপার বন্ধ   সোমবার থেকে লঞ্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে   সরকার দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছে : ওবায়দুল কাদের   কম খরচে ভারত গমনেচ্ছুক যাত্রীদের জন্য সুখবর   দ্বৈত ভোটার হতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সনদ লাগবে না   ঈদে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু   প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিট   বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে   সবাইকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর   আজ পহেলা বৈশাখ   মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের: র‍্যাব ডিজি   ধর্মের সঙ্গে সংস্কৃতির সংঘাত সৃষ্টি ঠিক নয় : প্রধানমন্ত্রী   সারাদেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ, রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধর্মঘট   প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক না রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় : তথ্যমন্ত্রী   ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়   প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ৩ ধাপে
error: কপি করা থেকে বিরত থাকুন !!